লস্করপুরে যুবতিকে ধর্ষনের ঘটনা ২০ দিনেও কোন সুরাহা হয়নি

sottokantho sottokantho জুন ০৩, ২০১৭ Technology

বিশেষ প্রতিবেদক : হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের চরহামুয়া গ্রামে যুবতি ধর্ষণের ঘটনায় ৫ জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এ ধর্ষিতা বাদি হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। এদিকে. ধর্ষণের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান হিরোসহ স্থানীয় লোকজন ধর্ষক জুনাহেদ মিয়াকে সদর থানা থেকে ছাড়িয়ে নিলেও এর সমাধান করতে পারেননি। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা ঝড় বইছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৩ মে রাতে উপজেলার চরহামুয়া গ্রামের মৃত ইদ্রিছ আলীর যুবতি প্রয়োজনীয় কাজে ঘর থেকে বের হয়। তখন একই গ্রামের মৃত আবুল হাসিম এর বখাটে পুত্র জুনায়েদ মিয়া (২৪)সহ তার লোকজন তাকে জোরপুর্বক সিএনজিতে উঠিয়ে নিয়ে বাড়ির পাশ্ববর্তী স্থানে নিয়ে ধর্ষন করে। এ সময ওই যুবতির চিৎকার শুনে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষকরা পালিয়ে গেলে জুনায়েদকে আটক করে জনতা। পরে খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ ধর্ষক জুনায়েদকে আটক করেন এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভিকটিমকে থানায় নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনার পরপরই লস্করপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান হিরোসহ স্থানীয় লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সদর থানা থেকে বিষয়টি সমাধান করবেন বলে জিম্মায় তাদের ছাড়িয়ে নেন। এরপর প্রায় ২০দিন অতিবাহিত হলেও তিনি এর সমাধান করতে পারেনি। নিরুপায় হয়ে ওই যুবতি বাদি হয়ে গত বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ কোর্টে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে জুনায়েদসহ ৫জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে লস্কপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান হিরো জানান, শালিস বিচারে ধর্ষনকারীরা বিচারকদের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করলে বিষয়টি নিয়ে কোন সুরাহা হয়নি। এবং তারা বিচারকদের রায় না মেনে শালিষ চছড়ে চলে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *